Thursday, October 3, 2019

ISESCO Competition and Exhibition 2012 : A memoar

আইসেসকো প্রতিযোগিতা ও প্রদর্শনী ২০১২ : কিছু স্মৃতি কিছু কথা

২০১২ সালের মার্চ-এপ্রিল মাসের কথা। শিল্পী সাইফুল ইসলাম ফোন দিয়ে আইসেসকো প্রোগ্রামের কথা বললেন এবং শিল্পকলায় এবিষয়ে তিনি আমাকে রেফার করেছেন বলে জানালেন। শিল্পকলা থেকে আনোয়ার হোসেন (পরিচালক, চারুকলা বিভাগ) ভাই ফোন দিয়ে বিষয়টি জানালেন। প্রথমে
"ইসলামিক কালচারাল হেরিটেজ অব ঢাকা" বিষয়ক চিত্রকর্ম প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।
প্রতিযোগিতাটা দু'টি গ্রুপে হয়। আমরা তিনজন-
১. মোহাম্মদ আবদুর রহীম -প্রথম পুরস্কার
২. মাহবুব মুর্শিদ- দ্বিতীয় পুরস্কার
৩. ওসমান হায়াত- তৃতীয় পুরস্কার অর্জন করে।

আর শিল্পী কামরুল হাসান কালন ভাইয়ের ছেলে মোহাম্মদ মুর্শেদও অন্যগ্রুপে প্রাইজ পায়। বাকীদের কথা ভুলে গেছি।
এছাড়া একটা ক্যালিগ্রাফি প্রদর্শনী হয় শিল্পকলা একাডেমী ও বাংলাদেশ ক্যালিগ্রাফি ফাউন্ডেশনের যৌথ আয়োজনে। ঐ প্রদর্শনিতে শিল্পী আরিফুর রহমান ভাইয়ের একটি শিল্পকর্ম বিদেশী মেহমানকে দেয়া হয়।
ছবি- ১.পুরস্কারপ্রাপ্তদের গ্রুপ ছবি
২. শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলি লাকির কাছ থেকে প্রথম পুরস্কারের প্রাইজমানি গ্রহণ করছেন মোহাম্মদ আবদুর রহীম
৩. প্রথম পুরস্কার অর্জনকারী শিল্পকর্ম





Wednesday, October 2, 2019

Usage of Calligraphy pen

ক্যালিগ্রাফি কলমের ব্যবহার :

বিশ্বের খ্যাতিমান ক্যালিগ্রাফারগণ হাতে বানানো ক্যালিগ্রাফি কলমের প্রতি সবিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন। আমি ইরানী কালচারাল সেন্টারে উস্তাজা মাহবুবে পুররাহিমী মাশহাদির কাছে নাস্তালিক শেখার সময় হঠাত খেয়াল করলাম, তিনি আমার কলম দিয়ে না লিখে নিজের কলম দিয়ে আমাকে লিখে দিচ্ছেন, জিজ্ঞেস করতে জানালেন, নিজের কলম দিয়ে লেখা উচিত এবং তাতে হাত ঠিক থাকে।
এছাড়া উস্তাদ আলী ফারাসাতি ও উস্তাদ সিদাঘাত জাব্বারীও নিজ কলম দিয়ে লেখার কথা বলেছেন। উস্তাদ জাব্বারী লেখা ও কলম বানানোর কিছু চমতকার কৌশল দেখিয়েছিলেন। ফারসী শৈলিগুলোর ভেতর লুকানো সৌন্দর্য্য আসলে অর্ধেকটা হাতিয়ার আর বাকি অর্ধেক হাতের কারিগরি। এজন্য মশক ও খত পূর্ণ অনুসরনের কোন বিকল্প নেই।
আরবি শৈলিতেও হাতের কৌণিক অবস্থান, কলমের কৌণিক মাপ এবং বিভিন্ন ধরণের কলম যেমন- কলম কসব, কলম বুরা, কলম তুমার, কলম হাদিদ, কলম বাম্বু বা কলম বুস ইত্যাদি ব্যবহারে অভ্যস্ত হওয়া এবং সেগুলো হাতের গড়নের সাথে কৌণিক মাপকে ঠিক করে নেয়া প্রয়োজন। কারন প্রত্যেকের হাতের গড়ন ও গ্রিপ আলাদা। এ কথাগুলো বলেছেন উস্তাদ জহির আলজারয়ী(زهير الزرعي)।


ছবি- উস্তাদ আলজারয়ীর পোস্ট থেকে নেয়া।









Name Calligraphy : Arifur Rahman

নামলিপি : আরিফুর রহমান

অনেকদিন ধরে ভাবছিলাম, আমাদের ক্যালিগ্রাফি অঙ্গনে যারা অবদান রেখে চলেছেন, তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন কিভাবে করতে পারি। আর কিছু না পারি, শিল্পীর নামটা তো সুন্দর করে লিখতে পারি!
আরিফুর রহমান আমাদের মুরব্বি ক্যালিগ্রাফি শিল্পীদের অন্যতম। তিনি বিভিন্ন ভাবে ক্যালিগ্রাফির উন্নয়নে কাজ করে চলেছেন। আমি তার প্রতি বিশেষভাবে কৃতজ্ঞ, তিনি আমার জন্য সুদূর তুরস্ক থেকে ক্যাটালগ, কালি এনেছেন। বিশেষ করে ৪১জন বিখ্যাত তুর্কি উস্তাদগণের এই ক্যাটালগটি বিরল সংগ্রহ। আমাদের আর্কাইভটি এই ক্যাটালগটি পেয়ে সমৃদ্ধ হয়েছে। শিল্পীকে আন্তরিক মোবারকবাদ ও ধন্যবাদ জানাই। আল্লাহ পাক তাকে নেক হায়াত ও জাঝা খায়ের দান করুন।
ছবি- ১. নামলিপি - আরিফুর রহমান, জালি দিওয়ানিতে উস্তাদ আবদুল নাসেরের দায়েরা তারকিব অনুসারে।
২. ক্যাটালগ- মিটিং পয়েন্ট ইন ক্যালিগ্রাফি।

Arifur Rahman, style- Diwani Jali, Calligrapher- Mohammad Abdur Rahim, 1441 H.


Name Calligraphy : Ibrahim Mondol

নামলিপি : ইবরাহীম মন্ডল

বাংলাদেশে ক্যালিগ্রাফি আন্দোলন গত শতকের ৯০ দশকে যার হাত দিয়ে শুরু হয়, তিনি আমাদের শ্রদ্ধেয় শিল্পী ইবরাহীম মন্ডল। দশটি জাতীয় ক্যালিগ্রাফি প্রদর্শনীর আহবায়ক ছিলেন তিনি। বাংলাদেশে ক্যালিগ্রাফি চর্চা ও প্রসারে যিনি নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। তার ঋণ আসলে শোধ হবার নয়। আজকের নামলিপিটি তাকে উৎসর্গ করলাম। আল্লাহপাক উনাকে নেক হায়াত ও উত্তম প্রতিদান প্রদান করুন।
ছবি- ইবরাহীম মন্ডল, জালি দিওয়ানী শৈলিতে। তারকিবটি একজন বিখ্যাত উস্তাদের কাজের ছায়া অবলম্বনে। এ মূহুর্তে উনার নামটি মনে পড়ছে না।

Ibrahim Mondol, style- Diwani Jali, Calligrapher- Mohammad Abdur Rahim, 1441 H.

Friday, April 12, 2019

Moalla Calligraphy in Bangladesh


ক্যালিগ্রাফি শিল্পের পাশ ফেরা :

গত শতকের শেষ দশকে ক্যালিগ্রাফি শিল্পের জগতে যে চমকপ্রদ ঘটনাগুলো ঘটেছিল, তার একটি হচ্ছে মু'য়াল্লা/মোয়াল্লা নামে একটি শৈলীর উত্থান। ১৯৯৬ সালে তেহরানের ক্যালিগ্রাফার হামিদ আল আযামী আন্তর্জাতিকভাবে মু'য়াল্লা শৈলিটির স্বীকৃতি লাভ করেন। তিনি এটা কুফি মাশরেকি এবং সিকাস্তে শৈলির সমন্বয়ে বানিয়েছেন বলে প্রামাণ্য বই তৈরি করে দেখান। যদিও ২০০৯ সালে আমার তেহরান সফরকালে তিউনেসিয়ার উস্তাদ ইয়াসিন মাতির শৈলিটির জনক হিসেবে আযামীকে সন্দেহ প্রকাশ করেন, কারন মাগরেবি সুলুস ও মাবসুত শৈলিতে মুয়াল্লার অধিকাংশ বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান, তাই এটার পিতৃভূমি হচ্ছে পশ্চিম আফ্রিকার আরব দেশসমূহ। উস্তাদ মাতির তার মতের সপক্ষে কিছু কাজও দেখান। যেহেতু শৈলিটি নতুন এবং এর কারুকাজ সবাইকে আলোড়িত করেছে, আর আমাকেও তা এতটা প্রভাবিত করেছিল, যে তেহরান সফরের আগে এক রাতে মুয়াল্লা শৈলির একটি বই তৈরি করে সাথে করে তেহরানে নিয়ে গেলাম এবং আযামীকে দেখানোর মওকা খুঁজছিলাম, তিনি তেহরানের বাইরে থাকায় সেটা সম্ভব হয়নি। তবে উস্তাদ মাতিরসহ কয়েকজন বিখ্যাত ক্যালিগ্রাফার বইটির প্রশংসা করেন এবং শৈলির কিছু ব্যতিক্রম বৈশিষ্ট্যের জন্য সেটার নাম প্রস্তাব করেন "মুয়াল্লা রহীমী" বলে। দেশে ফিরে শৈলিটির উৎকর্ষ ও উন্নয়নে যথেষ্ট সময় দেয়া হয়নি। অবশ্য ২০১২ সালে এটা বেশ আকর্ষনীয় একটি শৈলি হিসেবে বাংলাদেশে পরিচিতি পায়। শিল্পী আরিফুর রহমানের মুয়াল্লা শৈলির কাজ এসময় সবার নজর কাড়ে। আমি এটার শৈল্পিক অবস্থান নিয়ে কোন সমস্যা দেখিনি, যে কেউ একটু যত্নশীল হলেই শৈলিটিতে কাজ করতে পারেন। কলমে ও পেইন্টিংয়ে এটা খুব মজার একটা শৈলি। আমার এক সময়ের রূমমেট এবং সুহৃদ ভাই ও ডাক্তার ভাবি এই শৈলিতে অনেকগুলো পেইন্টিং নিয়েছেন, বলা যায় তাদের আগ্রহ ও চাপাচাপিতে শৈলিটির প্রতি আলাদা নজর দিতে হয়েছে। শৈলিটিতে বেঙ্গল স্কুল বা ধারা করতে হলে, অন্তত কয়েক ডজন মাস্টারপিস বের হওয়া দরকার, এটা এক দুজনের এ্যামেচার কার্যক্রমে হবে না, আমাদের একদল পেশাদার ক্যালিগ্রাফার লাগবে, যারা কলম চালনায় সামুরাই মাস্টার হবেন। তবে শৈলিটিতে কিছু নতুনত্ব যোগ করা আবশ্যক। সেজন্য কলমের পারদর্শিতা কে দেখাতে পারবেন, আমরা তার অপেক্ষায় আছি।



Thursday, November 29, 2018

Momin Maszid : A wooden heritage of south Asia part-2

Momin maszid is contents of beautiful wooden carving arabic calligraphy.

page 14


page 15


page 16


page 17
page 18


page 19
page 20


page 21


page 22


page 23


page 24


page 25


back page

Momin Maszid : A wooden heritage of south Asia

It is a document of age of century anniversary of Momin maszid of Bangladesh.


cover page of the Memorial catalog


title page

page 1

page 2

page 3

page 4


page 5

page 6

page 7
page 8



page 9

page 10


page 11


page 12


page 13

Sunday, October 14, 2018

গবেষণার টুকিটাকি



যারা গবেষণা করার ইচ্ছে পোষণ করেন, কিন্তু কিভাবে সেটা করবেন কুল-কিনারা করতে পারছেন না। তাদের জন্য এ লেখা। আর কাজ করতে গিয়ে অনেক কিছু সহজভাবে হঠাৎ মনে আসলো, কিন্তু পরে ভুলে যাওয়ায় মহা ঝামেলায় পড়তে হয়, সেজন্য এ লেখাটা ক্রমাগত চালিয়ে নেয়া, যাতে নিজেরও উপকার হয়।


গবেষণা আসলে মহা ধৈর্য্য আর কষ্টের কাজ। সুতরাং আপনাকে পূর্ণ প্রস্তুতি নিয়ে কাজে নামতে হবে। আপনি সময়, শ্রম, মেধা ও অর্থ ব্যয় করতে কোন কিপটেমি বা আলস্য করতে পারবেন না, তাহলে গবেষণার গরু খুজে পাবেন না। আসলেই এটা হারানো বস্তু খুঁজে বের করা এবং সত্যটাকে স্পষ্ট করা এবং সমাজের যাতে কোন কাজে লাগে সেটা বিবেচনায় নিয়ে তথ্য সংগ্রহ, মাঠ পর্যায় তথ্য অনুসন্ধান, বই, ক্যাটালগ, নমুনা, চিত্র, সাক্ষাতকার গ্রহণ ইত্যাদির মাধ্যমে গবেষণা প্রকল্পের ধরণ অনুযায়ী একটি অভিসন্দর্ভ রচনা করা মূল বিষয়।


আপনি যে বিষয়ে সবচেয়ে বেশি জানেন এবং বিষয়টিকে ভালবাসেন, সেটা আপনার ক্যারিয়ারের সহায়ক হতে পারে বা না হতে পারে, কিন্তু দেশ জাতি ও মানবতা উপকৃত হবে, এটা আপনাকে নিশ্চিত হতে হবে। যে দেশে যত বেশি গবেষণা হবে, সে দেশ তত এগিয়ে যাবে। এজন্য আপনাকে গবেষণা কর্মের মূল নীতিমালা জানতে হবে এবং এর টুকিটাকি অনুসরন করতে হবে। আপনি নেটে সার্চ দিয়ে মূলনীতি পেয়ে যাবেন এবং এ সংক্রান্ত বই কিনতে পাবেন। পুরোন বইয়ের বাজারে আপনাকে নিয়মিত যেতে হবে এবং এটা অভ্যাসে পরিণত করতে হবে। যেখানে আপনার গবেষণার তথ্য থাকতে পারে মনে করছেন, সেখানে না যাওয়া পর্যন্ত আপনি মনে তৃপ্তি পাবেন না, এ রকম বোধ আপনার গবেষণা কর্মকে বেগবান করবে। একটা তথ্যের জন্য আপনাকে প্রত্যন্ত অঞ্চলে যাওয়ার মানসিকতা যেমন রাখতে হবে, তেমনি বই-পত্র, সাময়িকী, নমুনা সংগ্রহে আপনাকে অকাতরে টাকা খরচের প্রস্তুতি থাকতে হবে।


বিশ্বের প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা কর্ম হয়ে থাকে। আপনি কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে গবেষণা করতে চাইলে, সেখানে নীতিমালা দেখে নিন, আপনি সেটার আওতায় পড়েন কি না। আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং নীতিমালার শর্তগুলো পূরণ করে আবেদনের যোগ্য হলে, আপনার বিষয়ের একটি শিরোনাম ঠিক করে নিন, যেটা আগে কেউ করেনি, শিরোনাম ঠিক হলে একটা সার সংক্ষেপ তৈরি করে নিন, নেটে আপনি প্রচুর সংখ্যক সিনোপসিস বা সার সংক্ষেপ নমুনা পাবেন। আর এখন তথ্য প্রাপ্তির দিক দিয়ে ইন্টারনেট আপনাকে বিশাল সাপোর্ট দিবে, এ জন্য নেট থেকে তথ্য খুঁজে বের করার কাজে আপনাকে দক্ষ হতে হবে। তথ্য সংগ্রহ, বিন্যাস, যাচাই করণ এবং কম্পিউটার ব্যবহারে আপনাকে দক্ষ ও করিৎকর্মা হতে হবে। সার সংক্ষেপ তৈরি হলে, আপনাকে তত্ত্বাবধায়ক জোগাড় করতে হবে। এখানেই বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সমস্যা হয়। তবে হতাশ না হয়ে আপনাকে ক্রমাগত চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। স্বীয় ডিপার্টমেন্ট বা বিভাগ থেকে গবেষণা করা সহজ। তবে ভিন্ন বিভাগ থেকেও করা যায়, সেক্ষেত্রে তত্ত্বাবধায়ক রাজি হওয়াটা মূল বিষয়।


যাহোক আপনি গবেষক হিসেবে কাজ শুরু করলেন, তত্ত্বাবধায়ক আপনাকে গবেষণার খুটিনাটি দেখাবেন আর আপনি তার কাছ থেকে যত বেশি নিতে পারবেন, আপনার কাজ তত সহজ হয়ে যাবে। তবে বই-পত্র ও আনুসাঙ্গিক বিষয়ে আপনাকে আগে থেকেই প্রস্তুতি নিতে হবে, তা নাহলে কাজ শুরুর পর চারদিক অন্ধকার দেখা অনিবার্য হয়ে দাড়াবে। আপনি গবেষণা সহায়ক যে তথ্যই পান না কেন, সেটা নোট করে রাখবেন, আর বই ঘরে আনার পর সেটার একটা সার সংক্ষেপ করবেন, বইতে আপনার কাজে লাগার মত তথ্যগুলো পৃষ্ঠা নম্বরসহ নোট করবেন, যেটা কোট করতে হতে পারে বা অভিসন্দর্ভের কাজে লাগতে পারে বলে মনে করেন, সেটা হাই লাইট করে রাখবেন। মোট কথা গবেষণায় ব্যবহৃত বই-পত্তর আপনার নখ-দর্পণে থাকতে হবে।


ফিল্ড ওয়ার্ক বা মাঠ পর্যায়ের কাজে হয়ত মফস্বলে কোন ব্যক্তি, রিসোর্স পারসন বা লাইব্রেরি অথবা কোন পুরাকৃতি দেখতে এবং সেখান থেকে আপনাকে ছবি সংগ্রহ করতে হতে পারে, সেক্ষেত্রে ভাল পিক্সেলের ক্যামেরার একটা স্মার্ট মোবাইল এবং তাতে গবেষণা সহায়ক এ্যাপস নামিয়ে নিতে হবে, এ ছাড়া বেশি স্টোরেজের মেমরি কার্ড রাখতে হবে। মাঠ পর্যায়ের কাজে মনে করতে হবে, এখানে দ্বিতীয়বার আসার সুযোগ হয়ত হবে না, এজন্য পরিকল্পনা মাফিক কাজ করতে হবে, কারণ আপনার গবেষণার সময় সীমিত।


আন্তর্জাতিক পর্যায়ে চলতি নিয়মে এবং আপনার বিশ্ববিদ্যালয় যে পদ্ধতিতে লেখা অভিসন্দর্ভ গ্রহণ করে সেটা জেনে নিতে হবে, তবে ব্যতিক্রমী বিন্যাসের এবং দৃষ্টি নন্দন দেখতে অভিসন্দর্ভ আপনাকে ভাইভা বোর্ডে এগিয়ে রাখবে পরীক্ষক মহোদয়গণের আনুকূল্য পেতে। কখনই অভিসন্দর্ভে কোন চালাকি বা ভুয়া রেফারেন্স দিবেন না, সৎ থাকবেন এবং নিজের মতকে বিনয়ের সাথে তুলে ধরবেন। মনে রাখবেন ভাইভা বোর্ডে আটকে গেলে আপনার পুরো গবেষণা কর্ম ব্যর্থ হয়ে যাবে। এক্ষেত্রে আপনার তত্ত্বাবধায়ক হচ্ছেন আপনার রক্ষাকবচ, তিনি আপনার কাজে সন্তুষ্ট হলে আপনার ডিগ্রি হয়ে যাবে। কোন প্রশ্নের গোজামিল উত্তর ভুলেও দিতে যাবেন না। পরীক্ষকগণ আসলে যাচাই করতে চাইবেন যে অভিসন্দর্ভটি আপনার একান্ত পরিশ্রমের ফসল কি না, সুতরাং অভিসন্দর্ভের লাইন-বাই-লাইন এমন কি দাড়ি -কমা আর রেফারেন্স সম্পর্কে স্পষ্ট থাকতে হবে। রেফারেন্স বইয়ের লেখক সম্পর্কেও আপনার ধারণা থাকা প্রয়োজন। যে বই থেকে রেফারেন্স দিবেন, সেখানে লেখক যদি অন্য সোর্স কোট করেন, তখন আপনাকে মূল সোর্স দেখতে হবে। তথ্য ব্যবহারে আপনাকে সাবধান ও নির্মোহ হতে হবে, বায়াস তথ্য আপনার কাজ ও পরিশ্রম দুটোই ধ্বংস করে দিবে। সুতরাং একটি তথ্যের জন্য যত বেশি সোর্স পাবেন তত আপনার লাভ। একটা তথ্যও যেন ক্রস চেক ছাড়া ব্যবহার না হয়, সেটা অভ্যাসে পরিণত করতে হবে। গবেষণা কর্মে ব্যবহৃত ছবি আপনার নিজের সংগৃহীত হওয়া বাঞ্ছনীয় এবং আপনার মোবাইলে তোলা ছবির মূল্য সবচেয়ে বেশি, যে ছবি আপনি নেট থেকে নিবেন সেটা ইউনিক এবং আপনার তথ্যের সাথে অপরিহার্য না হলে সেটা অবশ্যই বাদ দিবেন। আর ডায়াগ্রাম, লেখচিত্র ইত্যাদি অবশ্যই নিজে তৈরি করে দিবেন, কপি করবেন না। পরীক্ষক মহোদয় আপনার কাজকে ভাল করে যাচাই করবেন, সুতরাং আপনার সামান্য অসতর্ক পদক্ষেপ পুরো গবেষণাকে মাটি করে দেবে। ভাইভা বোর্ডে উৎরে যাওয়ার অর্থ হচ্ছে আপনি ডিগ্রি পেয়ে গেছেন, এরপর শুধু আনুষ্ঠানিক ঘোষণা বাকি থাকে। সুতরাং ভাইভা বোর্ডের সদস্যদের আপনি সন্তুষ্ট করবেন আপনার আন্তরিকতা ও কর্ম দিয়ে, তত্ত্বাবধায়ক মহোদয় আপনাকে যে নির্দেশনা দিবেন, আপনি তা অক্ষরে অক্ষরে পালন করবেন। সর্বোপরি আপনার কাজে সবসময় আল্লাহপাকের রহমত ও করুণা কামনা করবেন। আল্লাহপাক আপনাকে কামিয়াব করবেন।

Featured Post

Calligraphy Class started for Biggeners

I started new year Calligraphy Class. Today is 2nd class. Any person of no boundary on ages, can learn calligraphy, if he or she interes...